বাংলা পক্ষ'র ত্রিপুরা ভবন অভিযান

শনিবার, ৮ই ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২৪শে মাঘ ১৪২৬, বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
ত্রিপুরা ভবন, এইচসি-১০, এইচবি রোড, এইচসি ব্লক, সেক্টর ৩, বিধাননগর, কলকাতা, বাংলা - ৭০০১০৬


বাঙালির শত্রু বিজেপির রাজত্বে ত্রিপুরায় বাঙালি নির্যাতন চলছে, ঘরছাড়া প্রায় ৫০০ জন বাঙালি। প্রতিবাদে কলকাতায় সল্টলেকে বাংলা পক্ষর ত্রিপুরা ভবন অভিযান।

গত ১০ই ডিসেম্বর ত্রিপুরার কাঞ্চনপুরের আনন্দবাজারে রিয়াংরা ৯৩ টি বাঙালি পরিবারের বাড়িঘর-দোকান ভাঙচুর করে, আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রায় ৪৫০ জন বাঙালি উদ্বাস্তু হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। কিন্তু দুমাস অতিবাহিত হলেও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পুনর্বাসন দেওয়া হয়নি। বিজেপি শাসিত রাজ্য সরকারের বাঙালি বিদ্বেষী মনোভাব, মহারাজা প্রদ্যুৎ কিশোর মাণিক্যর উস্কানির ফলেই ঘটেছে এই ঘটনা-অভিযোগ ত্রিপুরার বাঙালির। এই ইস্যুতে আগেই কাঞ্চনপুরের দাসদায় প্রায় ২৫ হাজার বাঙালির জনসভা করে প্রতিবাদ জানিয়েছে কাঞ্চনপুর নাগরিক সুরক্ষা মঞ্চ, সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষ'র প্রতিনিধিও।

কয়েকদিন আগে এক টিভি সাক্ষাৎকারে রাজা প্রদ্যুৎ কিশোর মাণিক্য রাজবাড়ির সামনে বাঙালির মহানায়ক ক্ষুদিরাম বসু ও সূর্য সেনের মূর্তি বসানোর বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। আগরতলা বিমান বন্দরের নাম যাতে সুভাষ চন্দ্র বসুর নামে না হয় সে ব্যাপারে সোচ্চার হয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন বাঙালির মহানায়কদের ত্রিপুরায় অবদান নিয়ে৷ তাঁর প্রতিটা কথায় বাঙালি বিদ্বেষ স্পষ্ট। ত্রিপুরায় বাঙালিকে "বাংলাদেশী" বলে হেনস্থা করা হচ্ছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বাঙালি সমস্যা প্রতিদিন বাড়ছে। এর প্রতিবাদেই রাস্তায় নামছে বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগঠন বাংলা পক্ষ। আগামীকাল ৮ই ফেব্রুয়ারী শনিবার বিকাল ৪টায় কলকাতার সল্টলেকে অবস্থিত ত্রিপুরা ভবন অভিযান করবে বাংলা পক্ষ। ত্রিপুরায় কোনো ভাবেই যাতে বাঙালি অত্যাচারিতে না হয়, ক্ষতিগ্রস্ত বাঙালি যাতে পুনর্বাসন পায়- সেই দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে লেখা ডেপুটেশন জমা দেবে বাংলা পক্ষ। সংগঠনের পক্ষ থেকে সকল বাঙালিকে যোগ দেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।